Ratna Roy এর সকল পোস্ট

বাংলাদেশ-শ্রীলংকা-টেস্ট: নাইমের ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ম্যাথুজের আক্ষেপের দিন

বাংলাদেশ-শ্রীলংকা-টেস্টের দ্বিতীয় দিনের স্পটলাইটে বাংলাদেশের অফ-স্পিনার নাইম হাসান ও শ্রীলংকার ব্যাটার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ। দীর্ঘ ১৫ মাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেছেন নাইম।

তার ১০৫ রানে ৬ উইকেট শিকারে ৩৯৭ রানে অলআউট হয় শ্রীলংকা। লংকানদের এত দূর এনেছেন ব্যাটার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ। কিন্তু দিন শেষে আক্ষেপে পুড়েছেন তিনি।

কারন ১৯৯ রানে আউট হন ম্যাথুজ। ১ রানের  জন্য ডাবল সেঞ্চুরি  মিস করেছেন লংকান অভিজ্ঞ এ ক্রিকেটার। এরপর নিজেদের ইনিংস শুরু করে দিন শেষে বিনা উইকেটে ৭৬ রান তুলেছে বাংলাদেশ। ১০ উইকেট হাতে নিয়ে ৩২১ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ-শ্রীলংকা-টেস্ট: চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথম দিন শেষে ৪ উইকেটে ২৫৮ রান করেছিলো শ্রীলংকা। সেঞ্চুরি তুলে ১১৪ রানে অপরাজিত ছিলেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ। ৩৪ রান নিয়ে ম্যাথুজের সঙ্গী ছিলেন দিনেশ চান্ডিমাল।

দলীয় স্কোর ৪শ বা ৫শ করার লক্ষ্য নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে শ্রীলংকা। আগের দিন ৭৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়া ম্যাথুজ ও চান্ডিমাল আজও বাংলাদেশ বোলারদের উপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে শুরু করেন। ২০৮ বল মোকাবেলা করে জুটিতে ১শ পূর্ণ করেন তারা। ম্যাচে শ্রীলংকান ইনিংসে জুটিতে প্রথম শতরান।

সেই সাথে টেস্ট ক্যারিয়ারের ৬৪তম ম্যাচে ২১তম ও বাংলাদেশের বিপক্ষে  হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন চান্ডিমাল। ১২৮ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পুর্ন করেন  চান্ডিমাল।

এ অবস্থায় চান্ডিমালকে থামান নাইম। রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে লেগ বিফোর আউট হন চান্ডিমাল। রিভিউ নিয়েও উইকেট বাঁচাতে পারেননি তিনি। ফলে ম্যাথুজের সাথে ২৮৭ বলে ১৩৬ রানের জুটি ভাঙ্গে চান্ডিমালের। ১৪৮ বল খেলে ২টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৬৬ রান করেন তিনি।

চান্ডিমালকে আউট করা ওভারেই ক্রিজে নতুন ব্যাটার উইকেটরক্ষক নিরোশান ডিকবেলাকেও বিদায় দেন নাইম। ৩ বলে ৩ রান করে নাইমের বলে বোল্ড হন ডিকবেলা। এমন অবস্থায়  নাইমের জোড়া আঘাতের সাফল্য নিয়ে প্রথম সেশন শেষ করে বাংলাদেশ।  এ সময় শ্রীলংকার রান ছিলো ৬ উইকেটে ৩২৭। ম্যাথুজ ১৪৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।

বিরতি থেকে ফেরার পর প্রথম ওভারেই জোড়া আঘাত হানেন সাকিবও। দ্বিতীয় বলে রমেশ মেন্ডিসকে বোল্ড করেন সাকিব।

আর পরের বলে লাসিথ এম্বুলদেনিয়াকে লেগ বিফোর ফাঁদে ফেলেন তিনি। সাকিব  হ্যাট্টিকের সুযোগ সৃস্টি করলেও  সেটি রুখে দেন বিশ^ ফার্নান্দো। পরে এই বিশ^, ভুগিয়েছেন বাংলাদেশকে।

ম্যাথুজের সাথে উইকেটে থিতু হয়ে পড়েন দশ নম্বরে নামা বিশ^। এমন অবস্থায় ২৯৩ বলে দেড়শ ছুঁয়ে নিজের ইনিংসকে সামনের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন ম্যাথুজ। ক্যারিয়ারের চতুর্থ দেড়শ রানের ইনিংসকে ডাবল-সেঞ্চুরির দিকেই নিচ্ছিলেন তিনি। চা-বিরতি পর্যন্ত ১৭৮ রান ছিলো ম্যাথুজের পাশে।

চা-বিরতির  আগের ওভারে ম্যাথুজ-বিশ^ জুটিটি ভাঙ্গতে পারতো। সাকিবের বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে আকাশে বল তুলে দেন বিশ^। মিড-অনে ক্যাচের সুযোগ পান মুশফিকুর রহিম। কিন্তু বল তার হাত ফসকে যায়।

১৬ রানে জীবন পান বিশ^। তবে বিরতির আগে শেষ ওভারে শরিফুল ইসলামের বাউন্সারে মাথার পেছনে হেলমেটে আঘাত পান বিশ^। বিরতির পরপরই  ব্যাট হাতে নামতে পারেননি তিনি।

ফলে বিরতির পর শেষ ব্যাটার আসিথা ফার্নান্দোকে নিয়ে লড়াই শুরু করেন ম্যাথুজ। বিরতির পর প্রথম ওভারেই আসিথাকে রান আউটের সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। জীবন পেয়ে বাংলাদেশের বোলারদের দক্ষতার সাথে সামলাতে থাকেন আসিথা। আর অন্য প্রান্তে গুটি-গুটি করে ডাবল-সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন ম্যাথুজ।

তবে নিজের ২৮ ও ইনিংসের ১৪৯তম ওভারে আসিথাকে দারুন ঘুর্ণিতে বোল্ড করে ইনিংসে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন নাইম।  মেহেদি হাসান মিরাজের ইনজুরিতে ১৫ মাস পর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমেই ইনিংসে পাঁচ উইকেটের দেখা পেলেন নাইম। ৮ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে তৃতীয়বারের মত পাঁচ উইকেট নিলেন নাইম।

পাঁচ উইকেট শিকার করা নাইমের সাথে, তখন স্পটলাইটে ছিলেন ম্যাথুজও। কারন ডাবল-সেঞ্চুরির পথে তিনি। আসিথা যখন ফিরেন, তখন ১৯২ রানে ম্যাথুজ।

এরপর ক্রিজে আসেন হেলমেটে আঘাত পাওয়া বিশ^। আহত অবসর নেয়ার আগে নবম উইকেটে ম্যাথুজের সাথে ১৪৭ বলে ৪৭ রানের জুটি গড়েছিলেন বিশ^। সেখানে তার অবদান ছিলো ৭৭ বলে ১৭ রান। তাই বিশ^কে নিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল-সেঞ্চুরির পাবার ব্যাপারে আত্মবিশ^াসী ছিলেন ম্যাথুজ।

১৫২তম ওভারের পঞ্চম বলে তাইজুলকে বাউন্ডারি মারেন ম্যাথুজ। আর শেষ বলে ১ রান নেন তিনি। এতে ১৯৭ রান দাঁড়ায় ম্যাথুজের। নাইমের করা ১৫৩তম ওভারের পঞ্চম বলে ২ রান নিয়ে ১৯৯ রানে পৌঁছান ম্যাথুজ। এতে ফিল্ডারদের ৩০ গজের মধ্যে নিয়ে আসেন নাইম।

ওভারের শেষ বলে উইকেট ছেড়ে ফিল্ডারদের মাথার উপর দিয়ে মারতে গিয়ে স্কয়ার লেগে সাকিবকে ক্যাচ দেন ম্যাথুজ। ফলে ১ রানের জন্য ডাবল-সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপে পড়তে হয় ম্যাথুজকে। বিশে^র ১২তম ব্যাটার হিসেবে ১৯৯ রানে আউট হওয়া ক্রিকেটার হিসেবে রেকর্ড বইয়ে নাম তুলেন ম্যাথুজ।

তবে শ্রীলংকার দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে ১৯৯ রানে থামেন তিনি। ১৯৯৭ সালে কলম্বোতে ভারতের বিপক্ষে টেস্টে ১৯৯ রানে আউট হয়েছিলেন সনৎ জয়সুরিয়া।

৩৯৭ বলে ১৯টি চার ও ১টি ছক্কায় নিজের নান্দনিক ইনিংসটি সাজান ম্যাথুজ। ৮৪ বলে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন বিশ^।
ম্যাথুজকে শিকার করে টেস্টে এক ইনিংসে প্রথমবারের মত ষষ্ঠ উইকেট নেন নাইম।

একই সাথে  টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার দাঁড় করান তিনি। ৩০ ওভারে ১০৫ রানে ৬ উইকেট নেন নাইম। এছাড়া সাকিব ৬০ রানে ৩টি ও তাইজুল ১০৭ রানে ১ উইকেট নেন।

শ্রীলংকার ইনিংস শেষে আজ ১৯ ওভার ব্যাট করে বাংলাদেশ। টাইগারদের দুই ওপেনার দিন শেষে অবিচ্ছিন্ন থেকে যান। মাহমুদুল হাসান জয় ৬৬ বলে ৩১ ও তামিম ইকবাল ৫২ বলে অপরাজিত ৩৯ রান করেছেন। দু’জনই ৫টি করে চার মেরেছেন।

স্কোর কার্ড (টস-শ্রীলংকা) :

শ্রীলংকা প্রথম ইনিংস (আগের দিন ২৫৮/৪, ম্যাথুজ ১১৪*, চান্ডিমাল ৩৪*) :

ওশাদা ক লিটন ব নাইম ৩৬
করুনারতেœ এলবিডব্লু ব নাইম ৯
কুশল ক নাইম ব তাইজুল ৫৪
ম্যাথুজ ক সাকিব ব নাইম ১৯৯
ধনাঞ্জয়া ক জয় ব সাকিব ৬
চান্ডিমাল এলবিডব্লু ব নাইম ৬৬
ডিকবেলা বোল্ড ব নাইম ৩
রমেশ বোল্ড ব সাকিব ১
এম্বুলদেনিয়া এলবিডব্লু ব সাকিব ০
বিশ^ ফার্নান্দো অপরাজিত ১৭
আসিথা বোল্ড নাইম ১

অতিরিক্ত (বা-৪, নো-১) ৫
মোট (অলআউট, ১৫৩ ওভার) ৩৯৭
উইকেট পতন : ১/২৩ (করুনারতেœ), ২/৬৬ (ওশাদা), ৩/১৫৮ (কুশল), ৪/১৮৩ (ধনাঞ্জয়া), ৫/৩১৯ (চান্ডিমাল), ৬/৩২৩ (ডিকবেলা), ৭/৩২৮ (রমেশ), ৮/৩২৮ (এম্বুলদেনিয়া), ৯/৩৭৫ (আসিথা), ১০/৩৯৭ (ম্যাথুজ)।

বাংলাদেশ বোলিং :

শরিফুল : ২০-৩-৫৫-০,
খালেদ : ১৬-১-৬৬-০ (ও-১),
নাইম : ৩০-৪-১০৫-৬,
তাইজুল : ৪৮-১২-১০৭-১,
সাকিব : ৩৯-১২-৬০-৩।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস :

মাহমুদুল হাসান জয় অপরাজিত ৩১
তামিম ইকবাল অপরাজিত ৩৯
অতিরিক্ত (লে বা-২, নো-৪) ৬
মোট (বিনা উইকেট, ১৯ ওভার) ৭৬

শ্রীলংকা বোলিং :

বিশ^ : ৪-০-১৭-০,
আসিথা : ৪-১-১৯-০,
রমেশ : ৭-১-১৯-০,
এম্বুলদেনিয়া : ৪-০-১৯-০

আরও দেখুনঃ

বিএনপির অতীত পদাঙ্ক অনুসরন করে শ্রীলঙ্কার নেতারা দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন : তথ্যমন্ত্রী

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন : তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যান চলাচলে স্বাভাবিক গতি

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট

নাঈম হাসান

অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস

বিএনপির অতীত পদাঙ্ক অনুসরন করে শ্রীলঙ্কার নেতারা দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, শ্রীলঙ্কার নেতারা এখন অতীতে বিএনপির দেখানো পথ ধরেই দেশ ত্যাগ করছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বিএনপি নেতাদের আবারও পালানোর পথ খোঁজার পরামর্শ দিয়েছেন।

হাছান মাহমুদ আজ চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের তৃণমূল প্রতিনিধি সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এই আহবান জানান।

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘যারা শ্রীলঙ্কার তুলনা বাংলাদেশে দেয়, তারা অনেক আগেই শ্রীলঙ্কার মতো পালিয়েছেন। কেননা আজকের শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতিতে তারাও পড়েছিলেন, তাই তারা এসব কথা বলছেন।

 

  তথ্যমন্ত্রী বলেন শ্রীলঙ্কার নেতারা এখন যেভাবে পালাচ্ছেন, বিএনপির নেতারাও সেভাবে আগেই পালিয়ে গেছেন। তারেক রহমান ‘আমি আর রাজনীতি করবো না’ মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে গিয়েছেন।

ঢাকায় তাদের নেতা মাহবুবুর রহমানকে তাদের দলের নেতাকর্মী ও সাধারন জনগণ ধাওয়া করেছিল, জুতা নিক্ষেপ করেছিল। ৮০ সালে জিয়াউর রহমান যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যান তখন তাকেও ধাওয়া করা হয়েছিল। এখন আপনারা নিজেরা কিভাবে পালাবেন সেই পথ খুঁজুন।’

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ এমপি’র সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মফিজুর রহমানের পরিচালনায়  তৃণমূলের প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য  ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ।


ড. হাছান মাহমুদ বলেন,  বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভীসহ বিএনপি নেতারা পদ্মা নদীর ওপারে কীভাবে যাবেন তিনি তা দেখার অপেক্ষায় আছেন। তারা কি গাড়িতে চড়ে পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে যাবেন, নাকি আওয়ামী লীগের নৌকায় চড়ে ওপারে যাবেন, তিনি সেটি দেখার অপেক্ষায় আছেন বলে উল্লেখ করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন,  ‘আমাদের সরকার যখন পদ্মা সেতু করছিল, তখন বিএনপি দেশে গুজব ছড়িয়েছিলো যে, পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে মানুষের মাথা লাগবে।’  আবার সরকার যখন ভারত থেকে করোনা টিকা নিয়ে এসে, দেশের মানুষকে দেয়া শুরু করলো।

তখন বিএনপি গুজব ছড়ালো যে, ঐ টিকা কাজ করে না। রিজভী সাহেব বক্তব্য দিলেন, আমাদের করোনা টিকা অকেজো। পরে তিনি লুকিয়ে লুকিয়ে টিকা ঠিকই নিয়েছিলেন। আমাদের চট্টগ্রামের ডা. জাফরুল্লাহও কথা বলেছিলেন টিকা নিয়ে। পরে তিনিও লজ্জা ভেঙে টিকা নেন এবং বলেন, ‘আমার আরাম লাগছে।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক বলেন, তৃণমূল হচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রাণ। জন্মলগ্ন থেকে তৃণমূলের নেতারাই এ দলকে টিকিয়ে রেখেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে নানা সমস্যা নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

অনেক নেতা দ্বিধান্বিত ও বিচলিত হয়েছেন, অনেক নেতা দল ত্যাগ করেছেন, মূল নেতৃত্বের সাথে বেঈমানি করেছেন। কিন্তু তৃণমূল কখনো আওয়ামী লীগের সাথে বেঈমানী করে নাই। হাছান মাহমুদ বলেন,‘ আমরা আজকে প্রায় সাড়ে ১৩ বছর ক্ষমতায়, এতদিন ক্ষমতায় থাকার কারণে আমাদের অনেকের মধ্যে আলস্য এসেছে।

দলের মধ্যে সুবিধাবাদীদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। আজকে আমাদেরকে ভাবতে হবে, আমরা কিভাবে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করবো। আমি দেখতে পাই নেতা আসলে বিপুল শ্লোগান হয়, সেলফি তোলার জন্য প্রতিযোগিতা হয়, কিন্তু সেই ছবি তুলে শুধু ফেসবুকে দেয়া ছাড়া বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অন্য কাজ করতে আমি দেখিনা।’

নিজেকে  আওয়ামী লীগের মাইকিং করা কর্মী উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম  অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের প্রায় ৭ কোটি মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে।

প্রায় সাড়ে ১২ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিরূপ সমালোচনা হয়, তখন তার প্রতিবাদে আমাদের নেতা-কর্মীদের যেভাবে সরব হওয়া দরকার, সেটি হতে দেখিনা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড গুলো তুলে ধরার জন্য তরুণ নেতাদের অনুরোধ জানিয়ে ড. হাছান বলেন, গ্রামীণ জনপদে অনেক রাস্তাঘাট-কালভার্ট নির্মাণ হয়েছে। সেখানে ১৩ বছর আগে কি ছিল, জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের কারণে আজ কি হয়েছে, সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, আওয়ামী লীগের ধর্ম সম্পাদক এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সংসদের চীপ হুইপ আবু সাঈদ মাহমুদ স্বপন ও সংসদ সদস্য মোস্তফিজুর রহমান, নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও ওয়াসিকা আয়েশা খান প্রমুখ।

আরও পড়ুনঃ

প্রধানমন্ত্রী ৮৫ জন ক্রীড়াবিদ, সংগঠককে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান করেছেন

সরকারি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য হজ্ব প্যাকেজ নির্ধারণ

গ্রামীণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্য ফেরাতে অনন্য ভূমিকা রাখছেন ভারতী রাণী সেন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল

শ্রীলঙ্কার ইতিহাস

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ)

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আজকে মানুষের মাথাপিছু আয় প্রায় তিন হাজার ডলার ছুঁই ছুঁই। আমরা দেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে চাই।উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।

জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি অব্যাহতভাবে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পান তাহলে ২০৪১ সালের আগেই দেশ উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হবে।

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাঃ তথ্যমন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে  বাংলাদেশ আজ  পৃথিবীর সামনে উদাহরণ। নারীর ক্ষমতায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ পুরস্কারসহ বেশ কয়েকটি পুরস্কার পেয়েছেন।

সাড়ে ১৩ বছর আগে আমাদের দেশে কি কেউ কখনো ভেবেছে, একজন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ডিআইজি, সচিব, স্পিকার মহিলা হবেন, এটা কেউ ভাবেনি।

শনিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দশ উদ্যোগে নারীর ক্ষমতায়ন’ বিষয়ে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

বাসসের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান কলিম সরওয়ারের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দৈনিক আজাদী পত্রিকার সম্পাদক এম এ মালেক, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র মো. গিয়াস উদ্দিন, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক ড. বদিউল আলম।

আলোচনা সভায় পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন  করেন বাসসের বিশেষ  সংবাদদাতা মাহফুজা জেসমিন।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সিঙ্গাপুরে লিক ওয়ান এক নাগাড়ে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

তার পুত্র এখন প্রায় দুই দশকের কাছাকাছি ধরে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছে। যেই দলের নেতৃত্বে সিঙ্গাপুর স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, সে একইদল রাষ্ট্র ক্ষমতায় আজ পর্যন্ত। মালয়েশিয়ায় যে দলের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরের বেশি সেই দল রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল।

মাহাথির মোহাম্মদ এক নাগাড়ে ২২ বছর সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। সুতরাং একটা দেশের  উন্নয়নে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে যদি গুজব ছড়ানোর অপরাজনীতি না থাকত দেশ আরো এগিয়ে যেতে পারতো। ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্ঠার মাধ্যমে অবশ্যই দেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় নিয়ে যেতে পারব। নারীর অগ্রগতির মাধ্যমে দেশের অগ্রগতি এমন পর্যায়ে যেন আমরা নিতে পারি, দেশকে যেন স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছে দিতে পরি।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের পরিবর্তন হয়েছে। এত অপপ্রচার, প্রতিবন্ধকতা, রাজনীতির জন্য মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করা, জনগণের সম্পত্তি বিনষ্ট করা, নিরীহ মানুষের ওপর পেট্টোলবোমা নিক্ষেপ করে মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করা, সব কিছুতে ‘না’ বলা, এবং দেশে-বিদেশে থেকে অপপ্রচারের রাজনীতি, এত কিছুর মধ্যেও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে নীরব বিপ্লব ঘটে গেছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক বলেন, জাতিসংঘের মহাসচিব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ সবাই প্রশংসা করে, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তো তার বাবার দেশ কেনিয়াতে বলেছিলেন, আফ্রিকার দেশগুলোর বাংলাদেশের কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া  প্রয়োজন।

আমাদের স্বাধীনতার পঞ্চাশতম বর্ষ উপলক্ষে জো বাইডেন যে বাণী দিয়েছে, সেখানে তিনি বলেছেন বাংলাদেশের অগ্রগতি উন্নয়নশীল বিশে^র জন্য উদাহরণ। যে বিশ^ব্যাংক আমাদেরকে অর্থায়ন বন্ধ করে দিয়েছিল, সেই বিশ^ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট, প্রধান অর্থনীতিবিদ, ভারতের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে জার্মান রাষ্ট্রপতি সবাই প্রশংসা করে।

তিনি বলেন, বিএনপিসহ তার মিত্র এবং রাত বারোটার পর টেলিভিশনে সক্রিয় হওয়া ভুল ধরা পার্টি প্রশংসা করতে পারে না।  এছাড়া  কেউ কেউ আছেন ঢাকা ও চট্টগ্রামে প্রেস ক্লাবের সামনে রাস্তা গরম করেন তারাও প্রশংসা করতে পারেনা।

ড. হাছান বলেন, আমরা বলেছিলাম ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত করব। ২০২১সাল আসার দুই বছর আগে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার জন্য কোয়ালিফাই করেছে। এখন বলেছি ২০৪১সাল নাগাদ বাংলাদেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তরিত করব।

জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি অব্যাহত ভাবে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পান তাহলে ২০৪১ সালের আগেই বাংলাদেশ উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক বলেন, ক্ষমতায়ন এমন একটা বিষয় কেউ কাউকে ক্ষমতা দিতে চায়না। কারণ আমি যদি আমার ক্ষমতাটা ছেড়ে দিই, তাহলে আমার স্ত্রী ক্ষমতার অধিকারী হবে।

বর্তমানে আমাদের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। সেই অর্ধেক নারী যদি দেশের কাজে যদি না আসে তাহলে কিন্তু দেশ এগিয়ে যাবে না।

আরও দেখুনঃ

বিএনপির অতীত পদাঙ্ক অনুসরন করে শ্রীলঙ্কার নেতারা দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন : তথ্যমন্ত্রী

সরকারি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য হজ্ব প্যাকেজ নির্ধারণ

ভোজ্যতেলের বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ

রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রী ৮৫ জন ক্রীড়াবিদ, সংগঠককে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান করেছেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ক্রীড়াঙ্গনে গৌরবময় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৮৫ ক্রীড়াবিদ ও সংগঠককে ‘জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার’ প্রদান করেছেন ।
তিনি আজ তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল পুরস্কার প্রাপ্ত ক্রীড়াবিদদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব উপস্থিত ছিলেন এবং স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মেসবাহ উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে খেলাধুলার উন্নয়নের ওপর একটি ভিডিও প্রমাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

এর আগে, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ২০১৩ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত দেশের ক্রীড়াঙ্গনে তাদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৮৫ জন ক্রীড়া ব্যক্তি ও সংগঠককে এই মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে।

পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেকে পাবেন একটি আঠারো ক্যারেট মানের ২৫ গ্রাম ওজনের স্বর্ণপদক, এক লাখ টাকার চেক এবং একটি সনদপত্র।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিতীয় পুত্র শহীদ লে. শেখ জামালকে ২০২০ সালের খেলোয়াড় ও সংগঠক হিসেবে (মরণোত্তর) পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।  তাঁর পক্ষে পরিবারের সদস্য এবং খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল পুরস্কার গ্রহণ করেন।


জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ২০১৩ সালের জন্য ৪৯টি, ২০১৪ সালের জন্য ৫৩টি, ২০১৫ সালের জন্য ৩০টি, ২০১৬ সালের জন্য ৩৩টি, ২০১৭ সালের জন্য ৩৯টি এবং ২০১৮ সালের জন্য ৫৮টি  ২০১৯ ও ২০২০ সালের জন্য ৭৮টিসহ মোট ৩৪০ জন ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক আবেদন পত্র জমা দেন।

সেখান থেকেই তথ্য যাচাই বাছাইয়ের জন্য মন্ত্রণালয় মোট ৩টি কমিটি গঠন করে। যাচাই-বাছাই শেষে সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করে তারা।

তালিকাটি জাতীয় বাছাই কমিটির কাছে পাঠানো হয়। জাতীয় বাছাই কমিটি ২০১৩ সালের জন্য ১১ জন, ২০১৪ সালের জন্য ১০ জন, ২০১৫ সালের জন্য ১১ জন, ২০১৬ সালের জন্য ১৩ জন, ২০১৭ সালের জন্য ১১ জন, ২০১৮ সালের জন্য ১০ জন,  ২০১৯ সালের জন্য ১১ জন এবং ২০২০ সালের জন্য ৮ জনসহ সর্বমোট ৮৫ জন ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠককে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার দেয়ার সুপারিশ করেছে।

তালিকা:

২০২০ সাল (৮জন) : মুক্তিযোদ্ধা শহীদ লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল (মরণোত্তর)- খেলোয়াড় ও সংগঠক,  মুক্তিযোদ্ধা আফজালুর রহমান সিনহা (মরণোত্তর)- সংগঠক (ক্রিকেট), নাজমুল আবেদীন ফাহিম – সংগঠক (ক্রিকেট কোচ), মো. মহসীন- খেলোয়াড় (ফুটবল),

মো. মাহাবুবুল এহছান রানা- খেলোয়াড় (হকি), গ্র্যান্ডমাস্টার মোল্লা আব্দুল্লাহ আল রাকিব – খেলোয়াড় (দাবা), বেগম মোছা. নিলুফা ইয়াসমিন – খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), আব্দুল কাদের স্বরণ – খেলোয়াড় (ব্যাডমিন্টন – বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী)।

২০১৯ সাল (১১ জন): তানভীর মাজহার তান্না-সংগঠক (ফুটবল), অরুন চন্দ্র চাকমা (মরণোত্তর)- (অ্যাথলেটিক্স), লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. মইনুল ইসলাম – সংগঠক (আরচারি), দিপু রায় চৌধুরী – খেলোয়াড় (ক্রিকেট), কাজী নাবিল আহমেদ – সংগঠক (ফুটবল), ইন্তেখাবুল হামিদ- সংগঠক (শ্যুটিং),

বেগম মাহফুজা রহমান তানিয়া – খেলোয়াড় (সাঁতার), বেগম ফারহানা সুলতানা শীলা – খেলোয়াড় (সাইক্লিং), টুটুল কুমার নাগ – খেলোয়াড় (হকি), মাহবুবুর রব-খেলোয়াড় (ব্যাডমিন্টন), বেগম সাদিয়া আক্তার উর্মি -খেলোয়াড়  (টেবিল  টনিস – বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী)।

২০১৮ সাল (১০জন): ফরিদা আক্তার বেগম – সংগঠক (অ্যাথলেটিক্স), জ্যোৎস্না আফরোজ-খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), মো. রফিক উল্যা আখতার মিলন- সংগঠক (অ্যাথলেটিক্স), কাজী আনোয়ার হোসেন – খেলোয়াড় (ফুটবল), মো. শওকত আলী খান জাহাঙ্গীর-সংগঠক (ফুটবল), মীর রবিউজ্জামান – খেলোয়াড় (জিমন্যাস্টিকস)

, মোহাম্মদ আলমগীর আলম – খেলোয়াড় (হকি), তৈয়েব হাসান সামছুজ্জামান – সংগঠক (রেফারী), নিবেদিতা দাস – খেলোয়াড় (সাঁতার), মাহমুদুল ইসলাম রানা – সংগঠক (তায়কোয়ানডো)

২০১৭ সাল (১১ জন): শাহরিয়া সুলতানা – খেলোয়াড় (ভারোত্তোলন), আওলাদ হোসেন-সংগঠক (জুডো, কারাতে ও মার্শাল আর্ট), ওয়াসিফ আলী – খেলোয়াড় (বাস্কেটবল), শেখ বশির আহমেদ মামুন – সংগঠক (জিমন্যাস্টিকস),

মো. সেলিম মিয়া – খেলোয়াড় (সাঁতার), হাজী মো. খোরশেদ আলম – সংগঠক (রোইং), আবু ইউসুফ – খেলোয়াড় (ফুটবল), এ. টি. এম. শামসুল আলম – সংগঠক (টেবিল টেনিস), রহিমা খানম যুথী – খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), আসাদুজ্জামান কোহিনুর-সংগঠক (হ্যান্ডবল), মো. মাহবুব হারুন – খেলোয়াড় (হকি)।

২০১৬ সাল (১৩ জন): মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান – খেলোয়াড় (সাঁতার), লে. কমান্ডার এ কে সরকার (অবঃ) – সংগঠক (বাস্কেটবল), বেগম সুলতানা পারভীন লাভলী – খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), মুক্তিযোদ্ধা শামীম-আল-মামুন – সংগঠক (ভলিবল), আরিফ খান জয় – খেলোয়াড় (ফুটবল), খন্দকার রকিবুল ইসলাম – খেলোয়াড় (ফুটবল),

মোহাম্মদ জালাল ইউনুস – সংগঠক (ক্রিকেট), মো. তোফাজ্জল হোসেন – সংগঠক (অ্যাথলেটিক্স), কাজল দত্ত – খেলোয়াড় (ভরোত্তোলন), মো. তাবিউর রহমান পালোয়ান -সংগঠক (কুস্তি), জেড. আলম (মরণোত্তর) – সংগঠক (ফুটবল ), আবদুর রাজ্জাক সোনা মিয়া (মরণোত্তর) – খেলোয়াড় (হকি), কাজী হাবিবুল বাশার – খেলোয়াড় (ক্রিকেট)।

২০১৫ সাল (১১ জন): অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম – সংগঠক (ক্যারম), মো. আহমেদুর রহমান – খেলোয়াড় ও সংগঠক (জিমন্যাস্টিক্স), আহমেদ সাজ্জাদুল আলম – সংগঠক (ক্রিকেট), খাজা রহমতউল্লাহ (মরণোত্তর) – খেলোয়াড় (হকি), মাহ্তাবুর রহমান বুলবুল- খেলোয়াড় ও সংগঠক (বাস্কেটবল), বেগম ফারহাদ জেসমীন লিটি – খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), বরুন বিকাশ দেওয়ান – খেলোয়াড় (ফুটবল),

রেহানা জামান – খেলোয়াড় (সাঁতার), মো. জুয়েল রানা – খেলোয়াড় (ফুটবল), বেগম জেসমিন আক্তার -খেলোয়াড় (ভারোত্তোলন) কারাতে ও তায়কোয়ানডো), বেগম শিউলী আক্তার সাথী – খেলোয়াড় (ব্যাডমিন্টন)।

২০১৪ সাল (১০ জন): শামসুল বারী (মরণোত্তর) – খেলোয়াড় ও সংগঠক (হকি), এনায়েত হোসেন সিরাজ – সংগঠক (ক্রিকেট), মো. ফজলুর রহমান বাবুল – সংগঠক (ফুটবল), সৈয়দ শাহেদ রেজা – সংগঠক (হ্যান্ডবল), মো. ইমতিয়াজ সুলতান জনি- খেলোয়াড় (ফুটবল),

মোহাম্মদ এহসান নামিম – খেলোয়াড় (হকি), বেগম কামরুন নেছা – খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), মো. সামছুল ইসলাম – খেলোয়াড় (সাঁতার), মিউরেল গোমেজ – খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), মো. জোবায়েদুর রহমান রানা – খেলোয়াড় (ব্যাডমিন্টন)।


২০১৩ সাল (১১ জন): মুজাফ্ফর হোসেন পল্টু-– খেলোয়াড় ও সংগঠক (ক্রিকেট), কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ – সংগঠক (হ্যান্ডবল), উইং কমান্ডার (অব.) মহিউদ্দিন আহমেদ – সংগঠক (ভারোত্তোলন), সামশুল হক চৌধুরী – সংগঠক (ফুটবল), মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহ্জাহান মিজি – খেলোয়াড় (সাঁতার), রোকেয়া বেগম খুকী – খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স),

বেগম মুনিরা মোর্শেদ খান হেলেন – খেলোয়াড় (টেবিল টেনিস), মো. ইলিয়াস হোসেন – খেলোয়াড় (ফুটবল), বেগম জ্যোৎস্না আক্তার – খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), ভোলা লাল চৌহান – খেলোয়াড় (স্কোয়াশ), খালেদ মাহমুদ সুজন – খেলোয়াড় (ক্রিকেট)।

আরও দেখুনঃ

ভোজ্যতেলের বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী

উন্নয়নে শ্রমিক-মালিকের পরিপূরক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

সাবেক অর্থমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মাল আবদুল মুহিত আর নেই

ক্রীড়া

পুরস্কার

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী

সরকারি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য হজ্ব প্যাকেজ নির্ধারণ

সরকারি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত প্যাকেজ আজ অনুষ্ঠিত হজ্ব ব্যব-স্থাপনা সংক্রান্ত নির্বাহী কমিটির সভায় অনুমোদিত হয়েছে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ সরকারি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য হজ্ব প্যাকেজ নির্ধারণের  জানিয়ে বলা হয়, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৮ জুলাই  সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে।

অনুমোদিত প্যাকেজের উল্লে¬খযোগ্য বিষয়গুলো নিয়ে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পর্বে কোন ব্যয় বৃদ্ধি হয়নি। সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-১ এ সর্বমোট ৫,২৭,৩৪০.০০ টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা ২০২০ সনের তুলনায় ১,০২,৩৪০.০০ টাকা বেশি।

২০২০ সালে সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার ছিল ২৩.০০ টাকা। এখন এই বিনিময় হার ২৪.৩০ টাকা। এটিও প্যাকেজ মূল্য বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এছাড়া সৌদি আরব পর্বে সকল খাতের উপর ১৫ ভাগ ভ্যাট, সার্ভিস চার্জ, কর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মোয়াচ্ছাছা এর খরচ দ্বিগুণ হয়েছে। বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে। প্যাকেজ মূল্য বৃদ্ধির জন্য এই কারণগুলো দায়ী।

সরকারি ব্যব-স্থাপনার প্যাকেজ-২ এ সর্বমোট ৪৬২,১৫০.০০ টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা ২০২০ সনের তুলনায় ১,০২,১৫০.০০ টাকা বেশি। ২০২০ সনে ৩,১৫,০০০.০০ টাকার তৃতীয় আরেকটি প্যাকেজ ছিল। এ বছর ৩য় প্যাকেজ রাখা হয়নি।

২০২০ সনের ৩টি প্যাকেজের যে কোনটিতে নিবন্ধিত হজ-যাত্রীকে ২০২২ সনের জন্য ঘোষিত প্যাকেজ-১ অথবা প্যাকেজ-২ এর যে কোন একটি প্যাকেজ নির্বাচন করে, প্যাকেজ স্থানান্তরের মাধ্যমে ২০২২ সনের নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

এক্ষেত্রে ব্যাংকসমূহ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ই-হজ সিস্টেমে প্যাকেজ স্থানান্তরের উক্ত অর্থ প্রাপ্তি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করবে। অর্থ প্রাপ্তি নিশ্চিত হলে, হজ-যাত্রীকে ই-হজ সিস্টেম হতে তাঁর পিলগ্রিম আইডি (চওউ) প্রদান করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় , দ্বি-পাক্ষিক হজচুক্তি মোতাবেক বাংলাদেশ থেকে এ বছর সরকারি ব্যব-স্থাপনায় ৪,০০০ জন ও বেসরকারি ব্যব-স্থাপনায় ৫৩,৫৮৫  জনসহ সর্বমোট ৫৭,৫৮৫ জন হজ-যাত্রী পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরব গমনের সুযোগ পাবেন।

হজ-যাত্রীর বিমান ভাড়া, সৌদি আরবের বাড়ি ভাড়া, সার্ভিস চার্জ, মুয়ালি¬ম ফি, জমজমের পানি, খাবার খরচ এবং অন্যান্য ফি হিসেব করে ২০২২ সালের সরকারি ব্যব-স্থাপনার জন্য ২টি প্যাকেজ এবং বেসরকারি ব্যব-স্থাপনার এজেন্সিসমূহের জন্য একটি প্যাকেজের প্রস্তাব করা হয়েছে।


বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারীর কারণে সৌদি সরকারের হজের ঘোষণা প্রদানে বিলম্ব এবং এখন পর্যন্ত  সৌদি আরব হতে জনপ্রতি প্রকৃত খরচের বিবরণী না পাওয়ায়, সম্ভাব্য ব্যয় বিবেচনা করে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়  ২০২২ খ্রিষ্টাব্দে সরকারি ব্যবস্থাপনা এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজ-যাত্রীদের জন্য  হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করেছে।

অন্যদিকে যদি কোনো কোটা খালি থাকে, তাহলে অবশিষ্ট কোটা পূরণের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধনের ক্রম অনুসারে পরিচালক, হজ অফিস ঢাকার অনুমোদনক্রমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন করতে পারবেন।

২০২০ সনে যে সকল নিবন্ধিত হজ-যাত্রী প্যাকেজ স্থানান্তরের মাধ্যমে ২০২২ সনে নিবন্ধন চূড়ান্ত করবেন না, অথবা হজে যেতে পারবেন না, তাঁদের হজ নিবন্ধন বাতিল হবে এবং তাঁরা বিধি মোতাবেক প্রদত্ত অর্থ ফেরত পাবেন।

সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-১ এর হজ-যাত্রীগণ পবিত্র মসজিদুল হারাম চত্বরের সীমানা থেকে সর্বোচ্চ ১০০০ মিটারের মধ্যে  এবং প্যাকেজ-২ এর হজ-যাত্রীগণ সর্বোচ্চ ১৫০০ মিটারের মধ্যে অবস্থান করবেন। বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজ-যাত্রীর জন্য ৪,৫৬,৫৩০.০০ টাকার প্যাকেজ প্রস্তাব করা হয়েছে।

বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজ এজেন্সিগণ সরকারি ব্যবস্থপাপনার প্যাকেজ-১ ও প্যাকেজ-২ এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, একাধিক প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারবে।

বেসরকারি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এজেন্সির সাথে হজ-যাত্রীর চুক্তি অনুযায়ী, ২০২০ সনে নিবন্ধনের অর্থ সমন্বয় করে ২০২২ সনের প্যাকেজে ঘোষিত অবশিষ্ট অর্থ, নিবন্ধনকারী সংশি¬ষ্ট হজ এজেন্সির নির্ধারিত ব্যাংক একাউন্টে আগামী দ্রুততম সময়ের মধ্যে জমা প্রদান করবেন।

হজযাত্রীর কাছ হতে প্যাকেজে ঘোষিত অর্থ প্রাপ্তির পরেই সংশি¬ষ্ট এজেন্সি তাঁর পিলগ্রিম আইডি (চওউ) প্রদান করবেন।

উল্লে¬খ্য, সংশি¬ষ্ট এজেন্সি বিমান ভাড়া বাবদ গৃহীত অর্থ সংশি¬ষ্ট এয়ারলাইন্স বরাবর টিকিটের জন্য পে-অর্ডার এর মাধ্যমে প্রেরণ করবেন।

বিমানের টিকেট বাবদ গৃহীত অর্থ, এজেন্সি ব্যাংক থেকে উত্তোলন করতে পারবে না। হজ-যাত্রীর সংখ্যা অনুযায়ী সরাসরি পে-অর্ডারে মাধ্যমে এয়ারলাইন্সকে উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে এবং সৌদি আরবের বিভিন্ন সার্ভিস চার্জ ও পরিবহন বাবদ গৃহীত অথর্, আইবিএএন (ওইঅঘ) এর মাধ্যমে সৌদি আরবে প্রেরণ ব্যতিত এজেন্সি উত্তোলন করতে পারবে না।

অন্যদিকে এ বছর জড়ঁঃব ঃড় গধশশধয ওহরঃরধঃরাব এর আওতায় ঢাকার হজ-যাত্রীদের শতভাগ হজ-যাত্রীর সৌদি আরবের প্রি-এরাইভাল ইমিগ্রেশন, ঢাকায় সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রত্যেক হজ এজেন্সি কমপক্ষে ১০০ জন এবং সর্বোচ্চ ৩০০ জন হজ-যাত্রী প্রেরণ করতে পারবে। হজ এজেন্সি ব্যতিত অন্য কোন এজেন্সির নিকট হজ-যাত্রীর বিমান টিকেট বিক্রয়ের জন্য অনুমতি প্রদান করা যাবে না। কোন হজ এজেন্সিকে কোন অবস্থাতেই ৩০০ এর অধিক টিকেট প্রদান করা যাবে না।

পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরব গমনের নিমিত্ত হজ-যাত্রীর পাসপোর্টের মেয়াদ ৪ জানুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত থাকতে হবে, প্রতি ৪৪ জন হজ-যাত্রীর জন্য একজন করে গাইড নিয়োগ করা হবে।

রাজকীয় সৌদি সরকারের ঘোষিত নিয়ম অনুসারে, ৬৫ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সীদের জন্য বিদ্যমান প্রতিস্থাপন (রিপে¬সমেন্ট) প্রক্রিয়ার পরিবর্তে হজ এজেন্সি ইউজার, তাঁর এজেন্সিতে ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে নিবন্ধিত এবং ২০২০ সনে নিবন্ধনের সময় উক্ত নিবন্ধিতের সঙ্গে সংশি¬ষ্ট নিবন্ধিত ৬৫ বছরের কম বয়সী মহিলা / অনূর্ধ্ব ১৮ বছরের, যাঁরা মাহরামজনিত কারণে যেতে পারবেন না, সেই তালিকার বিপরীতে সমসংখ্যক প্রাক নিবন্ধিতকে সরাসরি পিলগ্রিম আইডি প্রদান করতে পারবেন।

এই তালিকার জন্য কোটা নির্ধারিত থাকবে না। সৌদি আরবে হজ এজেন্সির কোটা প্রেরণের পরে প্রতিস্থাপন কার্যক্রম শুরু হবে।

সরকারি ব্যবস্থাপনার হজ-যাত্রীগণকে প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত খাবার বাবদ পরিশোধিত অর্থ, হজে যাওয়ার প্রাক্কালে ফেরত প্রদান করা হবে।

হজযাত্রীদের কুরবানী বাবদ ব্যয়ের অর্থ সৌদি ইসলামী ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা সৌদি সরকার অনুমোদিত এ ধরণের অন্য ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করার জন্য রাজকীয় সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।

এই জন্য হজযাত্রীকে প্যাকেজ মূল্যের অতিরিক্ত ৮১০ সৌ.রি. এর সমপরিমাণ ১৯,৬৮৩.০০ টাকা সঙ্গে নিতে হবে।

আরও দেখুনঃ

প্রধানমন্ত্রী ৮৫ জন ক্রীড়াবিদ, সংগঠককে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান করেছেন

জয়পুরহাট জেলা হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেন্টারের উদ্বোধন আগামীকাল

বরিশালে দেশি টুপির চাহিদা বেশি

হজ্জ

ব্যবস্থাপনা