ঢাকা-মালে এর আজ শীর্ষ বৈঠক এবং বিশ্বব্যাংক,বাংলাদেশকে ৪২৫০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে

ঢাকা-মালে এর আজ শীর্ষ বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছয় দিনের সফরে গতকাল বুধবার বিকেলে মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে পৌঁছেছেন। মালদ্বীপের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আহমেদ খলিল ভেলানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহর আমন্ত্রণে তিনি এ সফর করছেন।

ঢাকা-মালে এর আজ শীর্ষ বৈঠক

এদিকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহর সঙ্গে বৃহস্পতিবার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মালেতে আজ বৈঠক শেষে দুই দেশ দুটি চুক্তি ও দুটি সমঝোতা স্মারক সই করতে পারে। সম্ভাব্য চুক্তি দুটি দ্বৈত কর পরিহার এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগের বিষয়ে। সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারকগুলো বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা বিজ্ঞান (নবায়ন) এবং দুই দেশের যুব ও ক্রীড়া ক্ষেত্রের উন্নয়নে সহযোগিতা বিষয়ে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আজ বাংলাদেশ মালদ্বীপকে ১৩টি সামরিক যান উপহার দেবে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশ দুটির মধ্যে বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে মালদ্বীপের চাহিদা অনুযায়ী সামরিক যানগুলো উপহার দেওয়া হচ্ছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আজ মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানাবেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফয়সাল নাসিম, পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ নাশিদ এবং সে দেশের প্রধান বিচারপতি উজ আহমেদ মুতাসিম আদনান সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রী মালদ্বীপের পার্লামেন্টে ভাষণ দেবেন। এ ছাড়া আজ সন্ধ্যায় মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট আয়োজিত রাষ্ট্রীয় ভোজ সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

সফরসূচি অনুযায়ী শেখ হাসিনা আগামীকাল শুক্রবার মালেতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেওয়া সংবর্ধনায় ভার্চুয়ালি যোগ দেবেন। সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী আগামী সোমবার বিকেলে ঢাকা পৌঁছবেন।

বিশ্বব্যাংক,বাংলাদেশকে ৪২৫০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে

দেশে আধুনিক, নির্ভরযোগ্য এবং টেকসই বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা গড়তে বাংলাদেশকে ৫০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৪ হাজার ২৫০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)।

(২২ ডিসেম্বর)বুধবার  বিশ্বব্যাংক এর ওয়াশিংটন অফিস এই ঋণটির জন্য অনুমোদন দিয়েছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক এর ঢাকা অফিস।

ঢাকা অফিস হতে জানানো হয়েছে, বিশ্বব্যাংক এর ইলেকট্রিসিটি ডিস্ট্রিবিউশন মডার্নাইজেশন কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে এই ঋণটি অনুমোদন দিয়েছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড্যান ড্যান চেন বলেন, গত দশকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা চারগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ৯৯ শতাংশেরও বেশি মানুষ বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছে। কিন্তু বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্ক উৎপাদনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারেনি। এই প্রোগ্রামটি বিতরণ নেটওয়ার্কের আধুনিকীকরণ এবং টেকসহ বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে, যা একটি নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য পাওয়ার সিস্টেমের মেরুদণ্ড।

প্রোগ্রামটি একটি আধুনিক গ্রিড সিস্টেম চালু করবে, যা বিদ্যুৎ এবং তথ্যের দ্বিমুখী প্রবাহকে সমর্থন করতে পারে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং চরম আবহাওয়ার ঘটনাসহ জলবায়ু এবং সাইবার ঝুঁকি থেকে দ্রুত পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করবে প্রকল্পটি। এটি সুপারভাইজরি কন্ট্রোল এবং ডেটা অধিগ্রহণ সিস্টেমের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি চালু করবে এবং উন্নত মিটারিং অবকাঠামো চালু করবে। এটি বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্কে নবায়ন শক্তি এবং ব্যাটারি শক্তি স্টোরেজ সিস্টেমের একীকরণের সুবিধার মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন করবে। এই সবই বিদ্যুৎ ব্যবস্থার টেকসই রূপান্তর ঘটাবে।

বিশ্বব্যাংক এর সিনিয়র এনার্জি স্পেশালিস্ট আর প্রোগ্রামের টিম লিডার বিপুল সিং বলেছেন, ২০০৯ সাল হতে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এর  বিশ্বের বৃহত্তম গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেতে সক্ষম হয়েছে। ৯ কোটির বেশি মানুষের কাছে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে দিয়েছে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। এই প্রোগ্রামটি নির্ভরযোগ্যভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ আর পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এর ক্ষমতাকে শক্তিশালী করবে।

বিশ্বব্যাংকের অঙ্গভুক্ত প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) নমনীয় শর্তে এ ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশকে। এখানে পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরের মেয়াদ রয়েছে। এছাড়াও, প্রোগ্রামটিতে ক্লিন টেকনোলজি ফান্ড হিসেবে ১৫ মিলিয়ন অনুদান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই কর্মসূচিসহ, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন এবং বিতরণের জন্য বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিশ্বব্যাংকের ১৮০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ চলমান সহায়তা রয়েছে। ১৯৮১ সাল থেকে বিশ্বব্যাংক পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এর বিদ্যুতায়ন ব্যবস্থা শক্তিশালীভাবে করতে কাজ করছে।

বাংলাদেশে বর্তমানে ১৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তা চলমান রেখে আইডিএ। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। স্বাধীনতার পর থেকে সংস্থাটি বাংলাদেশে ৩৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অনুদান, সুদ-মুক্ত ঋণ, ঋণ এবং শহত শর্তে ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

[ঢাকা-মালে এর আজ শীর্ষ বৈঠক এবং বিশ্বব্যাংক,বাংলাদেশকে ৪২৫০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে]

অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: ওয়ারীতে ময়লাবাহী ট্রাকের চাপায় আবার গেল প্রাণ

বাংলাদেশের খবর সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড এবং ফিনটেক,মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজের জন্য ঋণ সুবিধা সহজ করবে

তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড

দেশজুড়ে জনজীবনে কাঁপন ধরাচ্ছে শীত। সারা দেশে শীত এখনো পুরোপুরি জেঁকে না বসলেও বেশ কয়েকটি জেলায় ভালোই কাঁপন ধরিয়েছে শীত। চার জেলার ওপর দিয়ে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। রাজধানী ঢাকাতেও এসেছে শীতের আমেজ।

তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বলে। আর তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তাকে বলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ।

মঙ্গলবার দেশের চার জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। পঞ্চগড়, যশোর, কুড়িগ্রাম ও চুয়াডাঙ্গায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। এর পাশাপাশি কুয়াশা থাকায় এসব জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সকাল থেকে প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষ ঘরের বাইরে তেমন বের হচ্ছেন না।

 মঙ্গলবার সকাল ছয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বিরাজ করছে। সুষ্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তর সুমাত্রা উপকূলের অদূরে দক্ষিণ আন্দামান সাগরে বিরাজ করছে। অস্থায়ী মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুস্ক থাকতে পারে। যশোর, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম ও চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা প্রশমিত হতে পারে। সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।

আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। সেখানে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফে। সেখানে ২৮ দশমিক ২ ডিগ্রির তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া জানিয়েছে,অধিদপ্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলেও।

আরো জানুনঃ

বাংলাদেশের খবরঃ আজ শুরু হচ্ছে বুস্টার ডোজ এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ,মালয়েশিয়ার সঙ্গে চুক্তি সই এবং বেনাপোলএক্সপ্রেস পরিবর্তনে ক্ষোভ যাত্রীদের

ফিনটেক,মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজের জন্য ঋণ সুবিধা সহজ করবে

করোনার মহামারির পর বাংলাদেশে আরও বেশি মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজকে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ সেবার আওতায় আনার জন্য ঋণ প্রদান সুবিধা আরও সহজ করবে ফিনান্সিয়াল টেকনোলজি বা ফিনটেক ।

সোমবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনিস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেটের (বিআইসিএম) আয়োজিত একটি গোলটেবিলে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিআইসিএমের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহমুদা আক্তার তিনি আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন । অনুষ্ঠানটির মূলপ্রবন্ধ হিসেবে উপস্থাপন করেন ড. শাহাদাত খান তিনি টালিখাতার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা । স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআইসিএময়ের পরিচালক (স্টাডিজ) ওয়াজিদ হাসান শাহ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সুবর্ণ বড়ুয়া।

মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজের জন্য ঋণ সুবিধা সহজ করবে ফিনটেক

মূলপ্রবন্ধে ড. শাহাদাত খান বলেন, ঋণ দেওয়ার জন্য মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজের যে ধরনের তথ্য দরকার তা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পায় না। ফলে তাদের ঋণ দিতে পারে না। মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজের ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরির মাধ্যমে এখন সহজেই তাদের ঋণ দেওয়া সম্ভব।

তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশে রয়েছে জাতীয় পরিচয়পত্রের ডাটাবেজ। স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট এখন সবার হাতের নাগালে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন চলছে। এতে তৈরি হয়েছে এক বিশাল এক তথ্যভাণ্ডার। এই তথ্য বিশ্লেষণ করে ফিনটেক এর মাধ্যমে সবাইকে ঋণের আওতায় আনা সম্ভব। ঋণের পরিমাণও নির্ধারণ করা যাবে। গ্রহীতার কাছে না গিয়েও ঋণের টাকা পাঠানো ও কিস্তির টাকা আদায় করা যাবে। ফলে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা খরচ ও ঝুঁকি কমবে।

বিআইসিএমের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহমুদা আক্তার বলেছেন, দেশের প্রান্তিক অর্থনীতির চালিকা শক্তি হিসেবে কর্মসংস্থান তৈরি করার মাধ্যমে কমিউনিটি ভিত্তিক অর্থনীতির মধ্যে ভূমিকা রাখছে মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজ।

মাইক্রো ফাইন্যান্স ইনস্টিটিউটের সাবেক নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. এম এ বাকী খলিলী বলেন, ছোট ব্যবসায়ীদের লোন দরকার হয় ব্যবসা শুরু করার জন্য নয় বরং ব্যবসা বৃদ্ধি করার জন্য। তবে লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে নানান অসুবিধার সম্মুখীন হওয়ার সমস্যাটি প্রায় স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত রয়েই গিয়েছে। এ সমস্যা সমাধানের জন্য মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজের ভূমিকাকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। এক্ষেত্রে ঝুঁকি নিরুপন মডেল তৈরি করে উচ্চ ঝুঁকি আলাদা করা ও লেনদেন খরচ কমানোর ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মেজবাউল হক বলেন, ফিনটেক, ব্যাংক, এমএফআই, এন্টারপ্রাইজ সবাই মিলে ইকো-সিস্টেম তৈরি করতে হবে। কম খরচে সেবা দেওয়ার জন্য ফিনটেকই হবে অন্যতম প্লাটফর্ম।

এসএমই ফাউন্ডেশন এর জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ নাজিম হাসান সাত্তার বলেছেন, ক্যাশল এর সোসাইটি তৈরি করাতে ফিনটেক আবশ্যক আর প্রান্তিক জনগন যারা ব্যাংক হতে লোন নিতে পারে না তাদের শেষ ভরসা এমএফআই।

আলোচনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এসএমই ফাউন্ডেশনের মহাব্যবস্থাপক নাজীম হাসান সাত্তার, ইনস্টিটিউট অব ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের রিসার্চ ফেলো ড. ফারহানা নার্গিস, ব্যাংক এশিয়ার এমএসএমই এবং কৃষিঋণ বিভাগ এর প্রধান সামিনুর রহমান, এসিআইয়ের ট্রেজারি প্রধান আবু হাসান জানিয়েছেন, ব্রাক এর রিসার্চ এবং ইনসাইট এর প্রধান জুমানা আসরার, উদ্দীপনের নির্বাহী পরিচালক বিদ্যুৎ কুমার বসু, পিওপিআই এর পরিচালক মশিউর রহমান, মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রাফিউদ্দিন আহমেদ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল খালেক, আমেরিকার লং আইল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. ইব্রাহিম সিরাজ প্রমুখ।

[তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড এবং ফিনটেক,মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজের জন্য ঋণ সুবিধা সহজ করবে ]

অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: বড়দিন, থার্টি ফাস্টের আয়োজন ঘরের বাইরে নয়: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

বাংলাদেশের খবর সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

আজ শুরু হচ্ছে বুস্টার ডোজ এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ,মালয়েশিয়ার সঙ্গে চুক্তি সই এবং বেনাপোলএক্সপ্রেস পরিবর্তনে ক্ষোভ যাত্রীদের

কোভিড-১৯-এর টিকার বুস্টার ডোজ এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ আজ রোববার শুরু হচ্ছে। মহাখালীতে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) প্রতিষ্ঠানে ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি ও সম্মুখসারির কর্মীদের মধ্যে এ টিকা দেওয়া হবে বলে  স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন।

মানিকগঞ্জের গড়পাড়ায় শুভ্র সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গতকাল শনিবার দুপুরে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রথমে ফাইজারের টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এটির অনুমোদন দিয়েছে।

মন্ত্রী জানান, যাঁরা প্রথম দিকে টিকা পেয়েছেন, তাঁরাই বুস্টার ডোজের আওতায় আসবেন। পর্যায়ক্রমে সারা দেশেই এই কর্মসূচি চালু হবে। সরকারের হাতে বর্তমানে ফাইজারের ৬০ লাখ টিকা রয়েছে। আগামী মাসে আরও দুই কোটি টিকা আসবে। মোট চার কোটির অর্ডার ডব্লিউএইচও থেকে আমরা পেয়েছি। এর মধ্যে কিছু পেয়েছি। আরও তিন কোটি আসবে। তাই টিকার কোনো সংকট হবে না।

মালয়েশিয়ার সঙ্গে চুক্তি সই

তিন বছর বন্ধ থাকার পর ফের চালু হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। রোববার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে শ্রম বাজার নিয়ে সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) সম্পন্ন হয়েছে।

মালয়েশিয়া এর পক্ষে দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি এম সারাভানান আর বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমদ এই চুক্তিতে সই করেন।

সমঝোতা স্মারক সই করতে ভোরে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ। মালয়েশিয়া নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার বিমানবন্দরে এর মধ্যে মন্ত্রী ইমরানকে স্বাগত জানিয়েছেন। শ্রম কাউন্সিলর এর মো. জহিরুল ইসলাম, শ্রম কাউন্সিলর (দ্বিতীয়) মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল আর মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ এর এবং কমিউনিটি নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

 ২০১৮ সাল থেকে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমিক নেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। দেশটিতে ১০ লাখের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক রয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারির সময় মালয়েশিয়াপ্রবাসী যেসব বাংলাদেশি শ্রমিক দেশে এসেছিলেন পরে তাদের জন্যও দেশটিতে প্রবেশ বন্ধ হয়ে যায়।

গত তিন বছরে কয়েকবার মালয়েশিয়ার বাজার খোলার খবর শোনা গেলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেও কর্মী নিয়োগ নিয়ে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের আলোচনা হয়। সেখানে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে তাদের বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গত ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ থেকে সব পেশার কর্মী নেওয়ার অনুমোদন দেয় মালয়েশিয়া সরকার। বিশেষ করে গৃহকর্মী, বাগান, কৃষি, উৎপাদন, পরিষেবা, খনি ও খনন এবং নির্মাণ খাতে বাংলাদেশি কর্মী নেবে দেশটি।

গত শুক্রবার প্রবাসী কল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এর সভাকক্ষে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০২১ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের মধ্যে মন্ত্রী ইমরান জানিয়েছেন, সিন্ডিকেট ছাড়াই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের মধ্যে কর্মী পাঠাতে দেশটিতে জনশক্তি, কর্মসংস্থান আর প্রশিক্ষণ এর মধ্যে ব্যুরোর (বিএমইটি) অধীনে ডাটাব্যাংক হতেই বাংলাদেশ কর্মী পাঠাবে।

আরো জানুন:

বাংলাদেশের খবরঃ এডিবি দিচ্ছে ৮ বিলিয়ন ডলার এবং কার্ডে লেনদেন আবারও বাড়ছে

বেনাপোলএক্সপ্রেস পরিবর্তনে ক্ষোভ যাত্রীদের

বেনাপোল বন্দরের গুরুত্ব বিবেচনা করে ব্যবসায়ী আর চিকিৎসা সেবীদের স্বাচ্ছন্দে যাতায়াতে বেনাপোল-ঢাকা রুটে অত্যাধুনিক সুবিধা নিয়ে চালু হয় বেনাপোল এক্সপ্রেস নামে একটি যাত্রীবাহী রেল।

করোনার কারনে ৮ মাস বন্ধ থাকার পর আবারো এরুটে রেল চলাচল শুরু হলেও ইন্দোনেশিয়ার তৈরি রেলটি পরিবর্তন করে নিম্ন মানের রেল সেবায় হতাস ও ক্ষুব্ধ যাত্রীরা। এছাড়া ষ্টেশনে ইয়ার্ড সংকটে সময় মত রেল পৌছাতে না পারায় ভোগান্তির পাশাপাশি নানান সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে যাত্রীদের। তবে  রেল কর্তৃপক্ষ বলছেন চলমান সমস্যা সমাধানে উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।

জানা যায়, বেনপোল বন্দরে আমদানি বাণিজ্য থেকে বছরে সরকারের ৬ হাজার কোটি টাকা ও ভ্রমন ক্ষাতে প্রায় ১শ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়। ব্যবসা,শিক্ষা,ভ্রমন  ও চিকিৎসার প্রয়োজনে প্রতিবছর প্রায় ১৮ লাখ পাসপোর্ট যাত্রী ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত করে।  সড়ক পথে যাতায়াতে ফেরিতে দির্ঘসময় ক্ষেপন ও সড়ক দূর্ঘটনা এড়াতে দির্ঘদিন ধরে  যাতায়াতকারী যাত্রীদের দাবী ছিল বেনাপোলঢাকা রুটে রেল সেবার ।

অবশেষে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা বেনাপোল বন্দরের গুরুত্ব বিবেচনা করে ২০১৯ সালের ১৭ জুলায় বেনাপোল-ঢাকা রুটে চালু করে বেনাপোল এক্সপ্রেস। রেলটিতে উন্নতমানের এসি চেয়ার কোচ,ক্যাবিন ও নামাজের ব্যবস্থা ছিল।সপ্তাহে বৃহস্পতিবার ছাড়া ৬ দিন চলাচল করে বেনাপোল এক্সপ্রেস। করোনার কারনে ৮ মাস বন্ধ থাকার পর আবারো গত ২ ডিসেম্বর থেকে এপথে চালু হয়েছে বেনাপোল এক্সপ্রেস। তবে ইন্দানেশিয়ার তৈরী আগের রেলটি পরিবর্তন করে নিম্ন মানের ভারতের তৈরী রেল দেওয়ায় অনেকটা ক্ষুব্ধ হয়েছেন এরুটের যাত্রীরা। এ রেলটিতে পূর্বের কোন সুবিধা নেই। আগের রেলটি পঞ্চগড় রুটে চালানো হচ্ছে আর সেখানকার রেলটি দেওয়া হয়েছে বেনাপোল রুটে। যাত্রীরা ইন্দোনেশিয়ার তৈরী রেলটি বেনাপোল-ঢাকা রুটে ফিরিয়ে দেওয়ার আকুতি জানিয়েছেন।

রেল যাত্রী তৌফিক জানান, বেনাপোল এক্সপ্রেসের পূর্বের রেলটি পরিবর্তন করায় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা ভোগ করতে হচ্ছে। নামাজের ব্যবস্থা নাই,এসি চেয়ার কোচ নেই, বাথরুম ভালনো। এছাড়া ষ্টেশনে চাহিদা মত এয়ার্ড না থাকায় সময় মত রেল ষ্টেশনে পৌছায় না। সকাল ৯ সটার রেল আসে ১০ টায় আর ১২ টার লের আসে ২ টায়।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, বেনাপোল বাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহারের রেলটি বর্তমানে উত্তর বঙ্গে নিয়ে গেছেন রেল মন্ত্রী। নিম্ন মানের রেল দিয়েছেন বেনাপোল রুটে। বেনাপোল-ঢাকা রুটে পূর্বের  ফিরেয়ে দেওয়ার দাবী জানাচ্ছি।

বেনাপোল রেল ষ্টেশন মাস্টার সাইদুর রহমান জানান, প্রধান মন্ত্রীর বরাদ্ধকৃত রেলটি বেনাপোল যুক্ত করার দাবী জানিয়েছেন যাত্রীরা। এটিতে পূর্বের সুবিধা নেই। বিষয়টি রেলের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করানো হয়েছে। বেনাপোল বন্দর থেকে বেনাপোল-ঢাকা রুটে বেনাপোল এক্সপ্রেস,খুলনা-বেনাপোল রুটে বেতনা এক্সপ্রেস ও খুলনা-বেনাপোল-কলকাতা রুটে বন্ধন এক্সপ্রেস চলাচল করে। তবে করোনার কারনে বর্তমানে খুলনা-কলকাতা রুটে বন্ধ রয়েছে বন্ধন এক্সপ্রেস।

[আজ শুরু হচ্ছে বুস্টার ডোজ এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ,মালয়েশিয়ার সঙ্গে চুক্তি সই এবং বেনাপোলএক্সপ্রেস পরিবর্তনে ক্ষোভ যাত্রীদের]

অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: সৌন্দর্য যখন বিশ্বসুন্দরীদের বোঝা

বাংলাদেশের খবর সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

এডিবি দিচ্ছে ৮ বিলিয়ন ডলার এবং কার্ডে লেনদেন আবারও বাড়ছে

এডিবি দিচ্ছে ৮ বিলিয়ন ডলার

আঞ্চলিক করিডোরের উন্নয়নে সদস্য দেশগুলোকে আরও ৮ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের রিজিওনাল করিডোর অবকাঠামো উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এই অর্থায়ন করছে এডিবি।

সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) এডিবি’র স্বাধীন মূল্যায়ন বিভাগ (আইইডি) থেকে এক প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এডিবি দিচ্ছে ৮ বিলিয়ন ডলার

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এডিবি আঞ্চলিক অবকাঠামো উন্নয়নকে আরও বেগবান করতে ৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ ও অনুদান প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। একইসঙ্গে ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার কো-ফাইন্যান্সিং করবে তারা।

জানা গেছে, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রসারে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) সবসময় সাব রিজিওনাল করিডোর অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছে। সেই ধারাবাহিকতায় আঞ্চলিক করিডোরের উন্নয়নে আরো ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন করবে এডিবি। প্রতি ডলার সমান ৮৫ টাকা ধরে এই অর্থায়নের পরিমাণ ৬৮ হাজার কোটি টাকা। এডিবি’র সদস্যভুক্ত ৬৮টি দেশ সহজ শর্তে এ ঋণ ব্যবহার করে আঞ্চলিক করিডোর উন্নয়ন করছে। কনসেশনাল এ ঋণে সুদের হার ২ শতাংশ। এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ব্যবসা-বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ওই ঋণ ব্যবহার করা হয়েছে।

গ্রেটার মেকং সাবরিজিয়ন (জিএমএস) প্রোগ্রামের আওতায় এডিবি সাবরিজিওনাল করিডোরে ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন করেছে। কর্মসূচির আওতায় এর আগে ২০১২ থেকে ২০২০ মেয়াদে ১৩০ প্রকল্পে ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ করেছিল এডিবি। প্রতি ডলার সমান ৮৫ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৪ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকা। উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ আরো প্রসারিত করতে বিভিন্ন ধরনের ইতিবাচক পদক্ষেপও প্রচার করছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, এডিবি’র প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রোগ্রামটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। জিএমএস কর্মসূচির আওতায় এডিবিভুক্ত দেশগুলোতে ১৩০টির বেশি প্রকল্পে অর্থায়ন করা হয়েছে। যার পরিমাণ ছিল ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ফলে উপ-অঞ্চলের অর্থনৈতিক করিডোরগুলোতে অবকাঠামো অনেক উন্নত হয়েছে। নতুন ৮ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নে আরো উন্নত হবে অর্থনৈতিক করিডোরগুলো।

এডিবি’র আইইডি মহাপরিচালক ইমানুয়েল জিমেনেজ বলেন, ‘জিএমএস প্রোগ্রাম দেখিয়েছে কীভাবে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা উন্নত করা যায়। সমবেতভাবে এই কর্মসূচির সুবিধা নিতে পারে দেশগুলো। আঞ্চলিক করিডোরে উভয় দেশ লাভবান হবে।’

এডিবি প্রধান মূল্যায়ন বিশেষজ্ঞ এবং প্রতিবেদনের প্রধান লেখক বিন গুয়েন বলেন, আঞ্চলিক চাহিদার কথা বিবেচনা করে পাইপলাইনে থাকা প্রকল্পগুলো নির্বাচন করা জরুরি। এখানে জাতীয় স্বার্থ না দেখে আঞ্চলিক স্বার্থ দেখা দরকার। দেশ-পর্যায়ের ফলাফল এবং আঞ্চলিক ফলাফলের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট যোগসূত্রসহ আঞ্চলিক উন্নয়ন ফলাফলগুলিকে শক্তিশালী করতে হবে।

আরো জানুনঃ

বাংলাদেশের খবরঃ আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস এবং কুষ্টিয়াতে আজ মুক্ত দিবস

কার্ডে লেনদেন আবারও বাড়ছে

করোনা ভাইরাসের বিস্তার কিছুটা কমে এসেছে। এতে মানুষ আবার ঘরের বাহিরে যাচ্ছে। বাজার, শপিংসহ সব ধরনের কেনাকাটায় স্বশরীরে হাজির হচ্ছে। ফলে সব ধরনের কার্ড ও অনলাইন লেনদেন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। বর্তমানে কার্ডে রেকর্ড পরিমাণ লেনদেন হচ্ছে।

এই তথ্য জানা গিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক এর হালনাগাদ প্রতিবেদনের থেকে ।

জানা গিয়েছে, গ্রাহকেরা এটিএম হতে বেশি টাকা তুলছেন, ক্রেডিট কার্ডেও পরিমানে ভালো খরচ করছেন। ক্যাশ রিসাইক্লিং মেশিনের (সিআরএম) রেকর্ড টাকা লেনদেন হচ্ছে। পয়েন্ট অব সেলস এর (পিওএস) মাধ্যমে কেনা কাটার মধ্যেও হয়েছে রেকর্ড। তবে ই-কমার্স লেনদেন কমে গেছে, কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের প্রতারণার কারণে ।

কার্ডে লেনদেন আবারও বাড়ছে

ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এখনো দেশের বড় অংশের মানুষের ব্যক্তিগত লেনদেন নগদ টাকায় সম্পন্ন হচ্ছে। পাশাপাশি কার্ডের মাধ্যমেও প্রতি মাসে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়, যা আর্থিক খাতের মধ্যে মোট লেনদেন এর তুলনায় হয়তো সামান্যই থাকতে পারতো,কিন্তু দিনকে দিন এসকল কার্ডের লেনদেন বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর শেষে দেশে ডেবিট কার্ডের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২ কোটি ৪২ লাখ ২৫ হাজার ১৬৪। ২০১৯ সাল শেষে ব্যাংক খাতে ডেবিট কার্ডে সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৮২ লাখ ৩১ হাজার ৯৩। সেই হিসাবে ১ বছর ৯ মাসে কার্ডের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৬০ লাখ। একইভাবে সেপ্টেম্বর শেষে ক্রেডিট কার্ডের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৮ লাখ ৩ হাজার ১২৩। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর শেষে ক্রেডিট কার্ডের সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ৩৭ হাজার ২০২। ফলে ১ বছর ৯ মাসে ক্রেডিট কার্ড বেড়েছে প্রায় ৩ লাখ।

সর্বশেষ গত সেপ্টেম্বর মাসে ডেবিট কার্ডে লেনদেন হয়েছে ২২ হাজার ৫২২ কোটি টাকা। এর আগে কখনো ডেবিট কার্ডে এক মাসে এত লেনদেন হয়নি। এর আগে গত মে মাসে ২২ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে সেপ্টেম্বরে লেনদেন হয় ১ হাজার ৮৩৯ কোটি টাকা। যদিও গত জুনে ক্রেডিট কার্ডে ১ হাজার ৯৩৪ কোটি টাকার সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছিল।

ব্যাংকাররা বলছেন, করোনার প্রকোপ কমে আসায় জীবনযাত্রা অনেকটা স্বাভাবিক ধারায় ফিরেছে। আবার অর্থনীতির কর্মচাঞ্চল্যও ফিরে এসেছে। তাই মানুষ খরচও বেশি করছে। এখন আর্থিক লেনদেনে এটিএম, পিওএস, সিআরএমসহ বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রের ব্যবহারএর মাত্রা বেশি হচ্ছে। তাই কার্ডের এই ধরনের লেনদেন বেড়েছে ।

সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের প্রতারণার কারণে ই-কমার্সে লেনদেন অনেক কমে গেছে। সেটি না হলে কার্ডে লেনদেন আরও অনেক বাড়তো বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

গত সেপ্টেম্বর মাসে ই-কমার্সে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৭৭৮ কোটি টাকা। গত জুনেও ই-কমার্স এর লেনদেন এর পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২৭৭ কোটি টাকার মত।

এটিএম থেকে কার্ড দিয়ে গত সেপ্টেম্বরে ১৮ হাজার ৫৯ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। একইভাবে পিওএসের মাধ্যমে সেপ্টেম্বরের  ১ হাজার ৭৯৯ কোটি টাকার মত লেনদেন করা হয়। পিওএস সাধারণত কেনাকাটাসহ বিমানের টিকিট ক্রয়, হোটেল এর ভাড়া দেওয়ার সময় ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

ব্যাংকগুলো তাদের শাখায় চাপ কমাতে বিকল্প প্ল্যাটফর্ম স্থাপনে বেশি মনোযোগ দিয়েছে। ফলে গত সেপ্টেম্বর শেষে এটিএম বুথ বেড়ে হয়েছে ১২ হাজার ৪৯৫টি, যা ২০১৯ সালের শেষে ছিল ১০ হাজার ৯২৪। পিওএসের সংখ্যা  যা ২০১৯ সাল শেষে ছিল ৫৬ হাজার ১৩ টি তার পরিমান বেড়ে হয়েছে ৫৮ হাজার ৫২৭,। পাশাপাশি টাকা জমা নিতে ক্যাশ ডিপোজিট মেশিনের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৬৮৯টি এর মত এবং সিআরএম এর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৩৪টি। গ্রাহকেরা এখন কম অঙ্কের টাকা জমা দিতে ব্যাংক শাখার চেয়ে যন্ত্রকে প্রাধান্য দিচ্ছেন।

[এডিবি দিচ্ছে ৮ বিলিয়ন ডলার এবং কার্ডে লেনদেন আবারও বাড়ছে ]

অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: পরীমনির বিরুদ্ধে মাদক মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি ২ জানুয়ারি

 

আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস এবং কুষ্টিয়াতে আজ মুক্ত দিবস

আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস

পাহাড় প্রকৃতির মাঝে এক নান্দনিক সৌন্দর্য এর আধার, যা প্রকৃতির ভারসাম্যকে রক্ষা করে থাকে।আজ আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস।

পার্বত্য এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং টেকসই ভবিষ্যত্ সামনে রেখে জাতিসংঘ এর ২০০৩ সালে ১১ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিকভাবে পর্বত দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছিলো। এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য এর ‘পার্বত্য এলাকায় এই টেকসই পর্যটন’।

চন্দ্রনাথ পাহাড়

বলার অপেক্ষা রাখেনা, পাহাড়-পর্বত প্রকৃতির অপরূপ দান। বাংলাদেশের মোট ভূমির এক পঞ্চমাংশ হচ্ছে পাহাড়ি অঞ্চল।  বিশেষ করে পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আট ভাগ পাহাড়ি অঞ্চল অবস্থিত। বাকি দশ ভাগ অবস্থিত দেশের অন্যান্য অঞ্চলে।  অর্থাৎ সিলেট অঞ্চলে বেশ কিছু টিলা পাহাড় রয়েছে। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলানিকেতন এই টিলা পাহাড় দেশি বিদেশি পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।  অথচ এই টিলা পাহাড় ধ্বংস হচ্ছে। 

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। প্রদত্ত বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব এবং মানুষের অপরিকল্পিত ভূমি ব্যবহারের কারণে বিশ্বব্যাপী পার্বত্য অঞ্চলগুলোতে প্রতিকূল অবস্থার সৃষ্টি হয়ে যাচ্ছে। একদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে খরা, অতিবৃষ্টি,ঝড়-ঝঞ্ঝাট, অন্যদিকে বৃক্ষনিধনের মাধ্যমের বন উজাড়, দুইয়ের প্রভাবে পার্বত্য এলাকায় প্রাকৃতিক ভাবে ভারসাম্য বিনষ্ট হচ্ছে। 

প্রদত্ত বাণীগুলোতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০০৯ সাল হতে ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের শান্তি চুক্তির আলোকে পার্বত্য অঞ্চলগুলোর সার্বিক উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল এর দীর্ঘদিনের সংঘাতময় পরিস্থিতি নিরসনের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোন তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা ছাড়াই আওয়ামী লীগ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিত এর মধ্যে এই ঐতিহাসিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়ে থাকে । এটি  বিশ্ব ইতিহাসের একটি বিরল ঘটনা। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল এর দীর্ঘদিনের জাতিগত হানাহানি বন্ধ হয়। অনগ্রসর আর অনুন্নত পার্বত্য অঞ্চলের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়ে শান্তি আর উন্নয়নের ধারা। ইউনেস্কো শান্তি পুরস্কার অর্জনের এই চুক্তির জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির স্মারক।

আরো জানুন:

বাংলাদেশের খবর: টেস্ট সিরিজেও হোয়াইটওয়াশ, লজ্জার হার মুমিনুলদের

কুষ্টিয়াতে মুক্ত দিবস আজ

আজ ১১ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা কুষ্টিয়া জেলাকে শত্রুমুক্ত করেন। ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের আগেই কুষ্টিয়ার জনগণ বিজয় অর্জন করেছিলো।

১৯৭১ সালের সেই দিনের অনুভূতি তুলে ধরে যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন বলেন, ১৯৭১ সালের ৩০ মার্চ ভোর রাতেই পাক হানাদার বাহিনীর আক্রমণের শিকার হয় কুষ্টিয়া। প্রতিরোধ যুদ্ধের মুখে ১ এপ্রিল রাতে পাকবাহিনী কুষ্টিয়া ছেড়ে পালিয়ে যায়। তারপর দফায় দফায় বিমান হামলা চালিয়ে ১৬ দিন পর আবারো কুষ্টিয়া দখল করে নেয় পাকবাহিনী।

কুষ্টিয়াতে আজ মুক্ত দিবস

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাকবাহিনীর সঙ্গে মুক্তি বাহিনীর তুমুল লড়াই চলে। এরমধ্যে ২৬ নভেম্বর সবচেয়ে বড় সম্মুখ যুদ্ধ হয় কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে। ৯ ডিসেম্বরে কুষ্টিয়া শহর ছাড়া সমস্ত এলাকা শত্রুমুক্ত হয়। শহর মুক্ত করতে শুরু হয় তুমুল লড়াই। এ যুদ্ধে উভয় পক্ষের অসংখ্য মানুষ নিহত হয়। ১১ ডিসেম্বর আসে চূড়ান্ত বিজয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আফসার আলী বলেন, ৯ মাস ধরে যখন থেমে থেমে যুদ্ধ হয়, তখন বাঙালি নিধন আর গণহত্যার উৎসবে মেতে উঠে পাকবাহিনী। ১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর, কুষ্টিয়া শহরের ১৬ জন শহীদ হন, বিহারী কলোনির কোহিনুর ভিলার মধ্যে ।এ জেলার মধ্যে এটি একটি পরিবার এর উপর সবচেয়ে বড় সংঘটিত গণহত্যা।

কুষ্টিয়া শহরে প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল বলেন, দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তি সংগ্রামে হানাদার পাকসেনাদের সাথে সম্মুখ যুদ্ধ করে যেসব বীর মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ হয়েছিলেন তাদের সমাধি হিসেবে বংশীতলা,কুমারখালী, বিত্তিপাড়াসহ আরো কিছু জেলার মধ্যে প্রায় অর্ধশতাধিক গণকবর রয়েছে।হাজারো ব্যক্তিদেরকে এসব স্থানে নির্বিচারে গণহত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যে স্বপ্ন ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে দেশকে স্বাধীন করতে লক্ষ প্রাণের বলিদান, সেই স্বপ্ন পূরণ এখনও সুদূর পরাহত। এর আগে খোকসারায় হবে  ৪ ডিসেম্বর, আমলাসদরপুরে হবে ৭ ডিসেম্বর,মিরপুরে ৮ ডিসেম্বর, দৌলতপুর ও ভেড়ামারা থানা এবং

 ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী থানার মধ্যে পাকহানাদার মধ্যে মুক্ত দিবস পালিত হয়।

এ বিজয়ের দিনটিকে উদযাপন করতে হলে জেলাপ্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা,,সংসদসহ বিভিন্ন সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠন এর নানা অনুষ্ঠান পালন করার জন্য আয়োজন করেছে।

অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: আবরার হত্যাকাণ্ডের রায় মৃত্যুদণ্ড বিষয়ে নতুন ভাবনার জন্ম দিক

বাংলাদেশের খবর সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

দুরে ও কাছে, যখন যা ঘটছে

Exit mobile version